Friday, March 29, 2019

যে জলে আগুন জ্বলে !!!!!! আগুন ও তার সমাধান। Fire & it's Solution.

আগুন ও তার সমাধান। Fire & it's Solution. #যে_জলে_আগুন_জ্বলে!! জরুরী পোস্ট,,,,,, ধরুন আপনার শরীরটা একটু খারাপ করেছে, আপনি নিজের ইচ্ছেমতো প্যারাসিটামল খাচ্ছেন সুস্থ হওয়ার জন্য। পরে পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর দেখা গেল যে আপনার যকৃত বা লিভার হয়তো আগে কিছুটা খারাপ ছিল, কিন্তু ইচ্ছেমতো প্যারাসিটামল খাওয়ার কারণে পুরোপুরিই খারাপ হয়ে গেছে—কী অদ্ভুত একটা ট্র্যাজেডি!! সম্প্রতি বনানী, লালবাগ, আর চকবাজারে ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা দেখে এই প্যারাসিটামল ট্র্যাজেডির কথাই কেন যেন মনে হচ্ছে। - আচ্ছা সব আগুনই কি পানি দিয়ে নেভানো যায়? - তাই তো দেখে এসেছি সব সময়। আর আগুন তো আগুনই!! তার আবার রকম কী!!! সব আগুন আপাতদৃষ্টিতে দেখতে একরকম মনে হলেও পৃথিবীতে অগ্নি নিরাপত্তার মানদণ্ড স্থাপনকারী সংস্থাগুলো একে মোটামুটি ৫ ভাগে ভাগ করেছে (এ) কাঠ, কাগজ, কাপড়সহ অন্যান্য কার্বন যৌগ, (বি) তেল, রংসহ অন্যান্য দাহ্য রাসায়নিক তরল, (সি) দাহ্য গ্যাস, (ডি) ম্যাগনেসিয়াম, টাইটেনিয়ামসহ অন্যান্য ধাতব পদার্থ, (ই) বৈদ্যুতিক যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ। অদ্ভুত ব্যাপার হলো এর মধ্যে (এ) শ্রেণি ব্যতীত আর কোনো শ্রেণির আগুনই সাধারণত পানিতে নেভে না। তার মানে হলো বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে যদি আগুন লাগে আর পানি দিয়ে সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলে ওই বৈদ্যুতিক যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে শেষ হওয়ার আগে ওই আগুন তো নেভেই না বরং পানির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বা তড়িতাহিত হয়ে মানুষেরও প্রাণহানি ঘটতে পারে। সাধারণত বিভিন্ন ধরনের আগুন বা এর মিশ্রণের জন্য নির্দিষ্ট ধরনের অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা রাখতে হয়। খরচের দিক থেকে কার্যকরী এমন কোনো ব্যবস্থাই আসলে নেই যা একই সঙ্গে সব ধরনের আগুন নিয়ন্ত্রণ বা নির্বাপণ করতে পারে। এমতাবস্থায় প্রকৌশলগত দিক থেকে উপযুক্ত সমাধান হচ্ছে সব ধরনের পদার্থ যেন একসঙ্গে থাকতে না পারে তা নিশ্চিত করা আর মিশ্রণ থাকলে সেই অবস্থার উপযোগী একটা সমাধান বের করা। উদাহরণস্বরূপ যদি চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের কথা বলি, সেখানে একই সঙ্গে ৪ শ্রেণির আগুন ছিল (এ) মানুষ এবং সহায় সম্পদ, (বি) রাসায়নিক পদার্থ, (সি) সিএনজি, এলপিজি, (ই) বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার, যন্ত্র আর তার। পানি দিয়ে তো তাৎক্ষণিক অগ্নিনির্বাপণ সম্ভব ছিলই না, অন্য কিছু দিয়েও আসলে কাজ হতো না, কারণ এই মিশ্রণের উপযুক্ত কোনো নির্বাপণব্যবস্থাই নেই। যখন কোনো অগ্নি নিরাপত্তাব্যবস্থা নকশা বা স্থাপন করা হয়, তখন সেটা এমনভাবে করা হয় যেন (১) আগুন ধরার আগেই এর লক্ষণ টের পাওয়া যায়, (২) আগুন ধরে গেলে সঙ্গে সঙ্গেই জানা যায় এবং খুব অল্প সময়ের (বড়জোর কয়েক মিনিট) মধ্যেই নিভিয়ে ফেলা যায়, (৩) নেভানো না গেলেও সেই আগুন যেন একটা জায়গাতে আবদ্ধ থাকে, ছড়িয়ে না পড়ে সেই ব্যবস্থা করা যায়। এর কোনোটাই যখন ঠিকভাবে হয় না, তার মানে হলো ওই অগ্নি নিরাপত্তা বা নির্বাপণব্যবস্থা প্রায় বা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। একটা স্থাপনার নিজস্ব উপযুক্ত অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকলে বা সে ব্যাপারে আমরা যাঁরা ব্যবহারকারী তাঁদের প্রায়োগিক জ্ঞান না থাকলে আসলে ফায়ার ব্রিগেডের পক্ষে ভালো কোনো ফলাফল দেওয়া কখনোই সম্ভব নয়। আমাদের মাথায় রাখতে হবে, ফায়ার ব্রিগেড কখনোই প্রাথমিক অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা হওয়া উচিত নয়। ফায়ার ব্রিগেড ঘটনাস্থলে আসতে যে ন্যূনতম সময় নেয়, সেই সময়ে আগুন যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষত বৈদ্যুতিক যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ আক্রান্ত করে, তাতে হয়তো অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থার সমাধান ফায়ার ব্রিগেড শুধু পানি দিয়ে দিতে পারবে না। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রদেয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সারা দেশের মোট ১৯ হাজার ৬৪২টি অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণের মধ্যে ৪৩ শতাংশই সরাসরি বিদ্যুৎ (ই) শ্রেণির আর ১৮ শতাংশ হচ্ছে সরাসরি গ্যাস (সি) শ্রেণির। এর মানে হলো ৬১ শতাংশ ক্ষেত্রে আগুনের শুরুটাই পানি দিয়ে নেভানোর উপযোগী নয়। আর বাংলাদেশের বাস্তবতায় যেকোনোভাবে আগুন ছড়ানো মানেই হলো বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যন্ত্রাংশ বা তারে অথবা চুলার গ্যাসে ছড়িয়ে পড়া। তাহলে এই মিশ্র শ্রেণির আগুনের জন্য আমরা আদৌ প্রস্তুত আছি কি? আমাদের স্থাপনাগুলোতে আমরা অনেক সময়ই বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার দেখে থাকি। এমন স্থাপনাগুলোতে অনেক ক্ষেত্রেই স্থায়ী এবং স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা না থাকলেও আমরা ধরে নিই যে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে বাসিন্দাদের এমনভাবে গড়ে তুলব যে আগুন জ্বলার সঙ্গে সঙ্গে আগুনের ধরন বুঝে উপযুক্ত নির্বাপক দিয়েই আগুন নিভিয়ে ফেলব। খুব ইতিবাচক ভাবনা হলেও সমস্যাটা হচ্ছে এর সাফল্য সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আগুন দেখতে পাওয়ার ওপর। যদি মানুষ টের না পায় বা মানুষের অনুপস্থিতিতে আগুন ধরে যায়, এই পদ্ধতি যে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হতে পারে তা বলাই বাহুল্য। এসব ক্ষেত্রে আগুনকে একটা জায়গায় আবদ্ধ রাখার জন্য অগ্নিপ্রতিরোধক দরজা ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠানেই লাল রঙের এ ধরনের দরজা দেখা যায়, যা বেশ প্রশংসনীয়। তবে দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে জানালা বা ভেন্টিলেশনের জায়গাগুলোতে অনেক ক্ষেত্রেই অগ্নিপ্রতিরোধক কোনো ব্যবস্থা থাকে না, এ যেন বজ্র আঁটুনি, ফসকা গেরো! অগ্নিপ্রতিরোধক না হলে আগুন জানালা বা ভেন্টিলেশন দিয়েও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে মহামূল্য অগ্নিপ্রতিরোধক দরজা সাদা হাতি ছাড়া আর কিছু না। আমাদের দেশের অনেক নামীদামি প্রতিষ্ঠানের অনেক নামীদামি স্থাপনাতেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে ভাবনার এমন অসম্পূর্ণতা দেখতে পেয়েছি। উপযুক্ত অগ্নি শনাক্তকরণ ও নির্বাপণব্যবস্থা, বাসিন্দাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ আর আগুন ছড়ালেও এক জায়গাতে আবদ্ধ রাখার যে প্রক্রিয়া, সব মিলিয়ে এই পরিপূর্ণ ব্যবস্থার দেখা পাওয়া দুর্লভ বৈকি! সব যেন কোনো রকমে ‘কমপ্লায়েন্স’ সনদ পাওয়ার মধ্যে আটকে আছে, আগুন কবে ধরবে না ধরবে, বা আদৌ ধরবে কি না, সেই জন্য কিছু করা যেন বড্ড বাজে খরচ। উপযুক্ত অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অবশ্যই কিছুটা ব্যয়সাপেক্ষ, কিন্তু অসম্পূর্ণ নিরাপত্তাব্যবস্থা বা নিরাপত্তার অভাব যে ক্ষতির সৃষ্টি করে, তা কি আদৌ অর্থ দিয়ে মূল্যায়ন করা সম্ভব! আর যে ক্ষতি আর্থিক মূল্য দিয়ে বিবেচনা করা যাচ্ছে, সেই তুলনায় উপযুক্ত অগ্নিনিরাপত্তা কি খুব বেশি ব্যয়বহুল ছিল! ক্ষতিগ্রস্তরাই হয়তো এর উত্তর আরও ভালোভাবে দিতে পারবেন। উপযুক্ত অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা ব্যয়বহুল নয়, বরং নিরাপত্তার অভাবই বহুগুণ বেশি ব্যয়বহুল!

Saturday, March 2, 2019

Exam Preparation | পরীক্ষা প্রস্তুতি | পরীক্ষার আগের রাতের করনীয় | What shoud you do before exam day |

পরীক্ষার আগের রাতে কি করা উচিত? পরীক্ষার আগের রাতের করনীয় ? হ্যালো বন্ধুরা আজ আমি যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হল পরীক্ষার আগের রাতে করনীয় । আমাদের অনেকের মাঝে পরীক্ষার আগে অনেক ভয় ভীতি কাজ করে যে পরীক্ষা কেমন দিব, কি সমাচার ইত্যাদি । তো আজ আমি কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করব যা তোমাদের পরীক্ষার আগের রাতে ভালো প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে । ১। আত্ববিশ্বাস : প্রথম যে জিনিষ টা প্রয়োজন তা হল আত্ববিশ্বাস । তোমার মনের মাঝে এটা বিশ্বাস থাকতে হবে যে তুমি পারবে । তোমার মনের ভিতর থেকে সকল ভয় ভীতি দুর করতে হবে । অনেকে আছে যারা এই প্রথম ধাপ টাই পার করতে পারে না ,তাই তোমাকে আত্ববিশ্বাসী হতে হবে । Trust Yourself, you know more than you think you Do. -Benjamin Sopck ২। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : আমাদের মাঝে অনেকেই মনে করে ‍যে পরীক্ষার আগের রাতে ফাস্ট ফুড অথবা বিভিন্ন পানীয় অনেক উপকারে আসবে । আসলে এসব খাওয়া ঠিক না এতে তুমি অসুস্থ হয়ে যেতে পার । পরীক্ষার আগে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত যেমন বিভিন্ন ফলমুল আপেল , কমলা , কলা, দুধ কিংবা বাদাম যেগুলো তোমাকে শক্তি দিবে এবং তোমাকে পড়াশোনোতে ফোকাস করতে সাহায্য করবে । গ্রিন টি পান করতে পার এটি তোমাকে বেশী মনোযোগী হতে সাহায্য করবে । রাতের খাবার এ লাইট কিছূ খেতে পার যেমন ডাল , শাক-সবজি ইত্যাদি । পড়ার জায়গা বাছাই করন : তোমাকে একটা সুন্দর এবং আরামদায়ক জায়গা ঠিক করতে হবে যেখানে তুমি পড়াশোনা করবে এবং যেখানে তুমি পড়তে সাচ্ছন্দবোধ কর । মনে রাখবে এটা এতটা আরামদায়ক যেন না হয় যাতে তুমি ঘুমিয়ে পড় । এবং পড়ার টেবিলে বই ছাড়া অন্য কিছূ না রাখা, এতে তোমার মনোযোগ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে । পড়ার স্থানের যেন আলো ঠিক ঠাক মত পাওয়া যায় , কম কিংবা বেশী আলো তোমার পড়া কষ্টময় করে তুলতে পারে । মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপ পিসি ইত্যাদি খেকে দুরে থাকা ভালো এতে তুমি বেশি ফোকাশ করতে পারবে । ৩। এলার্ম সেট করা : পরীক্ষার আগের রাতে অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ন কাজ হল এলার্ম সেট করা । তুমি সকাল বেলা কয়টায় উঠবা তা এলার্ম দিয়ে ঠিক করে রাখাও একটা গুরুত্বপুর্ন কাজ এছাড়াও পড়ার বিভিন্ন ধাপকে তুমি এলার্ম দিয়ে ভাগ করে দিতে পার যেমন, তুমি কয়টায় ঘুমাতে যাবে কিংবা কয়টায় খাবার খাবে ইত্যাদি । এমন এলার্ম সিস্টেম ব্যাবহার করবে যাতে তুমি ঠিক ভাবে উঠতে পারবে এবং যার সাউন্ড খুব কমও না হয় এবং যেন খুব বেশীও না হয় অর্থাৎ যেটাতে তুমি Comfortable ফিল কর । ৪। পরীক্ষার সব জিনিষপএ ঠিক করে রাখা : পরীক্ষার আগের রাতেই তোমার সকল জিনিষপএ মানে পরীক্ষা কেন্দ্রে তোমার যা যা লাগবে তা সব ঠিক করে রাখা । যেমন , কলম খাতা , পেন্সিল , ইরেজার , ক্যালকুলটর ইত্যাদি । এতে সকাল বেলা তুমি পড়াশোনা কিংবা রিভাইস এর জন্য বেশী সময় পাবে । এখন তুমি পড়াশোনা শুরু করার জন্য রেডি …. ৫। সকল চ্যাপ্টার লিস্ট করা : তুমি যা যা পড়বে সকল চ্যাপ্টার এক যায়গায় লিস্ট করো এতে তোমার সুবিধা হল যে তুমি এক সিরিয়াল অনুযায়ী পড়তে পারবে এবং তুমি বুঝতে পারবে যে তুমি কতটুকু পড়লে । পরবর্তীতে তুমি নিজেকে যাচাইও করতে পাবে । তোমার যদি মনে হয় তুমি পূর্বে যথেষ্টে পড়েছো এবং আর পড়ার প্রয়োজন নেই তাহলে তুমি বিভিন্ন সালের স্যাম্পল প্রশ্নপএ সলভ করতে পারো । ৬। প্রথম থেকে শুরু করা : একদম প্রথম খেকে শুরু করুন আপনার সিলেবাস এর টপিক গুলো । বেসিক থেকে শুরু করতে পারো এতে তোমার আত্ববিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে । এবং তোমার পড়তেও সুবিধা হবে । One night before exams I am sure your mind works like Einstein.You can understand everything you have never understood in your class. ৭। মনে রাখার চেষ্টা না করে বোঝার চেষ্টা করা : আমরা অনেকেই না বুঝে মনে রাখার চেষ্টা করি অর্থাৎ মাথায় স্টোর করে রাখার চেস্টা করি । এতে করে বেশী টপিক হলে আমরা উল্টা পাল্টা করে ফেলি তাই কোন কিছু মনে রাখার চেষ্টা না করে বোঝার চেষ্টা করতে হবে । মুখস্থ না করা এবং বুঝে পড়ার চেষ্টা করা উচিত । ৮। কোন কিছু না বুঝলে বাদ দেওয়া : তোমাকেে বুঝতে হবে যে তোমার হাতে অনেক কম সময় আছে । তুমি যদি নুতুন কিছূ পড়া শুরু করো তাহলে তুমি পড়া কমপ্লিট করতে পারবে না অর্থাৎ তুমি কনফিউজ হয়ে যাবে এবং এতে অনেক সময় নষ্ট হবে । তাই আগে যা পড়েছো তাই পুনরাবৃতির কর । এবং যদি তুমি পূর্বের পড়া কমপ্লিট করতে পারো নিদৃষ্ট সময়ের পূর্বে, তাহলে তুমি নতুন টপিক শুরু করতে পারো । তবে হ্যা এটা তখনই করবে যখন তুমি তোমার পূর্বের পড়া কমপ্লিট করতে পারবে । ৯। পড়ার মাঝে ব্রেক নেওয়া : একটানা না পড়ে পড়ার মাঝে কিছুক্ষন ব্রেক নেওয়া উচিত । তুমি হালকা হাটাহাটি করতে পার কিংবা চা অথবা কফি খেতে পার কিংবা তোমার পছন্দের একটা গান শুনতে পার ইত্যাদি । ১০। পড়ার পাশা পাশি লিখে রাখা : কি পয়েন্ট বা গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট গুলো তুমি লিখে রাখতে পার । এতে তোমার মনে রাখতে সুবিধা হবে এবং পরবর্তীতে হালকা চোখ বুলিয়ে নিলেই তোমার রিভাইস হয়ে যাবে । ১১। গুরুত্বপূর্ন টপিক মার্ক করে রাখা : গুরুত্বপূর্ন টপিক গুলো মার্ক করে রাখতে পার এতে তোমার বুঝতে সুবিধা হবে । এজন্য আন্ডার লাইন করে রাখতে পার অথবা বিভিন্ন কালারের মার্কার ব্যাবহার করতে পারো । ১২। প্রচুর পানি পান করা : পড়ার মাঝে প্রচুর পানি পার করতে পারো এটি তোমাকে রাতে জেগে থাকতে সাহায্য করবে এবং এতে আরও একটি সুবিধা পাবে তা হল এটি তোমাকে গ্যাস কিংবা পেটে ব্যাথা থেকে দুরে রাখবে । ১৩। সোস্যাল মিডিয়া থেকে দুরে থাকা : বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, টুইটার কিংবা ইউটিউব থেকে দুরে থাকা উচিত এতে অনেক সময় এবং মনোযোগ দুটো্ই নষ্ট হয় । অনেকেই ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি একাউন্ট ডি-একটিভ করে দেয় আমার মতে এটি বোকামি ছাড়া কিছুই না নিজেকে কন্ট্রোল করাটাই বড় কথা । ১৪। রাতে পরিমান মত ঘুমানো : পড়া শেষ হলে দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করা এবং সর্ব নিম্ন ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ঘুমানো । এতে করে সকালে তোমার মনটা ফ্রেশ থাকবে এবং সকালে পড়া রিভা্ইস দিতে পারবে এবং ভাল পরীক্ষা দিতে পারবে । অনেকে প্লান করে সারা রাত জেগে পড়াশোনা করার এতে করে যে সমস্যা হয় যে সে সারা রাত পড়াশোনা করে এবং সকালে ঘুম ঘুম অবস্থায় পরীক্ষা দিতে যায় এবং সব উল্টা পাল্টা করে ফেলে । তাই সারা রাত পড়াশোনা করা একটা খারাপ আইডিয়া । ১৫। এবং সর্বশেষ পয়েন্ট হল চিন্তা না করে রিলাক্স করা । এবং মনে রাখবে , A Single Sheet of Paper Can not Decide Your Future. আশা করি তোমরা সবাই ভাল পরীক্ষা ভালো হবে । ধন্যবাদ .. লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার এবং লাইক দিতে ভূলবেনা এবং পরবর্তীতে এরকম আরও পোষ্ট পেতে আমাকে ফলো করতে পারো ।

Friday, March 1, 2019

২১শে ফেব্রুয়ারি । বাংলা_ভাষা_আন্দোলন ।

২১শে ফেব্রুয়ারি--- #বাংলা_ভাষা_আন্দোলন বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালির আত্ম-অম্বেষায়জ যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে। বিস্তারিত ঐদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়। নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করে। ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুঁড়িয়ে দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অণুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তখন থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জাতীয় ‘শোক দিবস’ হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে একাধিক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষকবৃন্দ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এ সময় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি গানের করুণ সুর বাজতে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। এদিন শহীদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রেডিও, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের সংবাদপত্রগুলিও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি যে চেতনায় উদ্দীপিত হয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষাকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, আজ তা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে স্বীকৃতি লাভ করেছে।