Wednesday, April 24, 2019
অপাত্রে_সাহায্য_চাওয়ার_পরিণতি
#ভিক্ষা_চাইনে_কুকুর_ঠেকাও
#অপাত্রে_সাহায্য_চাওয়ার_পরিণতি।।।
এক স্থুল বুদ্ধি কবি এক অপরিচিত গ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। সে একটা বিরাট বাড়ি দেখে মনে করল, এটা নিশ্চয় কোন আমীর ওমরাহের বাড়ি হবে। কিছু বকশিশ পাওয়ার আশায় সে বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়ল। বাড়িটা ছিল সে অঞ্চলের কুখ্যাত দস্যুদলের সর্দারের। বাড়িওয়ালার সামনে গিয়েই কবি তার প্রশংসাসূচক কবিতা তৈরি করে সুললিত কণ্ঠে আবৃতি শুরু করে দিল।
ডাকাত কবিতার মর্ম কি করে বুঝবে? বিরক্ত হয়ে সে তার সাঙ্গপাঙ্গকে হুকুম দিল, বেটার জামা কাপড় কেড়ে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে বের করে দাও।
সাথে-সাথে নির্দয়ভাবে তাই করা হলো। বেচারা আর কি করবে। উলংগ অবস্থায় সে পথে নামতে বাধ্য হলো। প্রচণ্ড শীতের সকাল। দারুণ ঠান্ডায় রাস্তাঘাট বরফে আচ্ছান্ন। বেচারা কবি বিবস্ত্র অবস্থায় পথে পা দিতেই ন্যাংটা মানুষ দেখে কুকুরের দল ঘেউ ঘেউ করে তাকে ঘিরে ধরল। একেতো শীতে ঠকঠক করে কাঁপছে, তার ওপর চারদিকে আক্রমণোদ্যত কুকুরের পাল। নিরুপায় কবি কুকুর তাড়াবার উদ্দেশ্যে ঢিল ছুঁড়তে চাইল। কিন্তু সর্বত্র বরফে ঢাকা। ঢিল কোথায় পাবে? কঠিন বরফ সরিয়ে সে ঢিল সংগ্রহ করতে পারল না। নিরুপায় হয়ে সে চিতকার করে কেঁদে বলতে লাগলোঃ এ কোন হারামযাদাদের পাল্লায় পড়েছি। দুষ্টুরা কুকুরগুলোকে ছেড়ে দিয়ে আমার পেছনে লাগিয়ে দিয়েছে। আর ঢিলগুলো বরফ দিয়ে বেঁধে দিয়েছে।
দস্যু সরদার বালাখানার জানালা দিয়ে এই দৃশ্য দেখছিল। কবির এই কথা শুনে সে না হেসে থাকতে পারলো না। তার দুর্দশা দেখে একটু দয়াও হলো। কবিকে ডেকে সে বললঃ ওহে সুধী! আমার কাছে কী সাহায্য চাও?
কবি করজোড় নিবেদন করল, দয়া করে আমার কাপড় জামা ফেরত দিলেই বেঁচে যাই। আর সাহায্যের দরকার নাই, ভিক্ষা চাই না কুকুর ঠেকাও।
কবির কাতরোক্তি শুনে নিষ্ঠুর দস্যুর মনেও দয়ায় উদ্রেক হলো এবং তার কাপড়-চোপড় ফেরত দিয়ে দিল। সঙ্গে আর এই প্রস্থ ভাল কাপড় এবং কিছু টাকা পয়সা দিয়ে কবিকে বিদায় করে দিল।
শিক্ষাঃ হিসাব করে কাজ করা উচিত। আমীর-ওমরা অথবা চোর ডাকাতের বাড়ি সাহায্যের জন্য যাওয়া উচিত নয়। তাদের নির্মম হৃদয়ের মধ্যে করুণা নেই। মানুষকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। রিক্ত হস্তে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে চলে যেতে হয়।
Sunday, April 21, 2019
গাভাস্কার যেদিন নিজেই আউট হয়ে যেতে চেয়েছিলেন! সুনিল গাভাস্কারের জীবনের একটি কালো দিক।
গাভাস্কার যেদিন নিজেই আউট হয়ে যেতে চেয়েছিলেন!
টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সফল ওপেনার তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ‘পেস চতুষ্টয়’সহ আরও অনেক কিংবদন্তি বোলারদের সময়ে খেলে ১০ হাজারের বেশি রান। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে তাঁর সাফল্যের প্রমাণ। তবে বিশ্বকাপে এসেও যে এমন ‘টেস্ট ম্যাচ’ খেলবেন সুনীল গাভাস্কার, সেটি বোধ হয় ভাবতে পারেননি কেউই। বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ম্যাচেই গাভাস্কার এমন এক ইনিংস খেলেছিলেন, পারলে নিজে ইতিহাসের পৃষ্ঠা থেকে সেই ঘটনা চিরতরে মুছে ফেলেন!
মূল গল্পে যাওয়ার আগে একটু প্রেক্ষাপট বলে নেওয়া দরকার। টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় এক শ বছর পর শুরু হয় ওয়ানডে। ১৯৭১ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচের চার বছরের মাথায় শুরু হয়ে গেল বিশ্বকাপ। ১৯৭৫ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার আগে ইংল্যান্ড ছাড়া অন্য দলগুলোর তাই ওয়ানডে ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা বলতে গেলে ছিলই না। ৭ জুন লর্ডসে বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ খেলার সৌভাগ্য হয়েছিল ভারতের। কিন্তু এর আগে তারা ওয়ানডে খেলতে পেরেছিলই মোটে দুটি।
দারুণ আবহাওয়া ও ব্যাটিং উইকেটে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে ইংল্যান্ড। ওপেনার ডেনিস অ্যামিসের ১৪৭ বলে ১৩৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে ৬০ ওভারে ৪ উইকেটে তোলে ৩৩৪ রান। জয়ের জন্য লক্ষ্যটা একটু বেশি হয়ে গেলেও ভারতের হাল ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল না। তাদের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম ছিলেন সুনীল গাভাস্কার।
সেই গাভাস্কারই এমন ব্যাটিং করলেন, যেটি নিয়ে কথা উঠলে লিটল মাস্টার নিজেই লজ্জায় লাল হয়ে যান। শুরুতে মনে হচ্ছিল, নতুন বলের সুইং কাটিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়ে মাঠে নেমেছেন বলে কিছুটা ধীরগতিতে ব্যাট করছেন। কিন্তু সময় গড়াতে থাকলেও গাভাস্কারের ব্যাট চলতে লাগল সেই শম্বুক গতিতেই। শেষ পর্যন্ত পুরো ৬০ ওভার উইকেটে থেকে গাভাস্কারের রান দাঁড়াল ১৭৪ বলে অপরাজিত ৩৬! গাভাস্কারের এমন মন্থর ব্যাটিংয়ের ছাপ পড়ল ভারতের স্কোরকার্ডেও। মাত্র ৩ উইকেট হারালেও ৬০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়াল ১৩২ রান! হাতে ৭ উইকেট রেখেও ২০২ রানের বিশাল পরাজয়।
সব ছাপিয়ে আলোচনায় গাভাস্কারের এই ইনিংস। ভারত এর আগে ওয়ানডে তেমন খেলেনি, এই যুক্তিতেও গাভাস্কারকে আড়াল করা যায়নি। ওই ম্যাচেই তো ইংল্যান্ড ওয়ানডে ব্যাটিংটা দেখিয়ে দিয়েছিল। এর মধ্যে ক্রিস ওল্ডই তো এখনকার ‘আন্দ্রে রাসেল’টাইপ ইনিংস খেলেছিলেন ৩০ বলে ৫১ রান করেন।
ম্যাচ শেষে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হলো তাঁর সমালোচনা। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটন বললেন, ‘ভারতীয়রা এ রকম করুণ ব্যাটিং করবে, এটা কেউই আশা করেনি। আর এর মূল দায়টা নিতে হবে গাভাস্কারকেই।’ কিন্তু অমন আশ্চর্য মন্থর ব্যাটিংয়ের রহস্য কী? ম্যাচ শেষে এক বিবৃতিতে ভারতীয় দলের ম্যানেজার জি এস রামচাঁদ বললেন, ‘ইংল্যান্ডের দেওয়া লক্ষ্যকে অনতিক্রম্য মনে করেছিলেন গাভাস্কার, তাই পরের ম্যাচগুলোর জন্য ব্যাটিং অনুশীলন করে নিয়েছেন এই ম্যাচে।’ বলাই বাহুল্য, রামচাঁদের এই খোঁড়া যুক্তি মন ভরাতে পারেনি কারও।
তবে দুই দিন পরই রামচাঁদের বিবৃতি সম্পূর্ণ পাল্টে গেল। ডেইলি এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রীতিমতো ধুয়ে দিলেন গাভাস্কারকে, ‘আমার দেখা সবচেয়ে লজ্জাজনক ও স্বার্থপর ইনিংস ছিল সেদিনের ইনিংসটি। সে (গাভাস্কার) আমাকে এসে বলেছিল, উইকেট শট খেলার জন্য খুব ধীর ছিল। কিন্তু ঠিক আগের ইনিংসেই ইংল্যান্ড ৩৩৪ রান করে যাওয়ার পরে এই যুক্তি কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না। পুরো দল এ ঘটনায় বিব্রত। আমাদের জাতীয় মর্যাদা এভাবে ধুলায় মিশে যেতে পারে না।’
রক্তের কোন গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়?
রক্তের কোন গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়?
‘ও’ গ্রুপের রক্তদাতাকে সার্বজনীন দাতা বলা হয়। সাধরণভাবে এ্যান্টিবডি ও এ্যান্টিজোনের ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: 'এ', 'বি', 'এবি' এবং 'ও'। . যে নির্দিষ্ট রক্তে যে এ্যান্টিজেন নেই, শুধু সেই এ্যান্টিবডি সেখানে পাওয়া যাবে। ‘এ’ ব্লাড গ্রুপে ‘এ’ এ্যান্টিজেন, ‘বি’ ব্লাড গ্রুপে 'বি' এ্যান্টিজেন বিদ্যমান। আবার, ‘এবি’ ব্লাড গ্রুপে ‘এ’ ও ‘বি’ উভয় ধরনের এ্যান্টিজেন থাকে। ‘ও’ ব্লাড গ্রুপে রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোনো এ্যান্টিজেন নেই। তবে 'এ্যান্টি-এ' ও 'এ্যান্টি-বি' দু’রকমের এ্যান্টিজেনই থাকে। . ‘এ’ গ্রুপের রক্তে থাকা এ্যান্টিবডি ‘বি’ গ্রুপের রক্তে মিশে গেলে, লোহিত রক্তকণিকা জমাট বেধে যায়। একইভাবে ‘বি’ গ্রুপের রক্তের এ্যান্টিবডি ‘এ’ গ্রুপের রক্তের লোহিত রক্তকণিকাকে জমিয়ে ফেলে। অতএব, ‘এ’ রক্তের গ্রুপের গ্রহীতা কোনওভাবেই ‘বি’ রক্তের গ্রুপের দাতার রক্ত নিতে পারবে না। একইভাবে ‘বি’ রক্তের গ্রুপের গ্রহীতাও ‘এ’ রক্তের গ্রুপের দাতার রক্ত নিতে পারবে না। . আবার, ‘এবি’ গ্রুপের রক্তে কোন এ্যান্টিবডি পাওয়া যায় না। অতএব, এরা অন্য গ্রুপের রক্তের লোহিত কণিকাকে জমিয়ে দিতে পারে না। তাই ‘এবি’ রক্তের গ্রুপের গ্রহীতা চারটি রক্তের গ্রুপের ( এ, বি, এবি, ও) প্রত্যেকেরই রক্ত গ্রহণ করতে পারবে। এজন্য এই গ্রুপের গ্রহীতাকে সার্বজনীন গ্রহীতা বলে। দাতা হিসেবে এরা নিজ গ্রুপ ব্যতীত অন্য কোন গ্রুপকে রক্ত দিতে পারবে না। . অপরদিকে, ‘ও’ রক্তের গ্রুপে কোন এ্যান্টিজেন থাকে না। এরা একমাত্র নিজ গ্রুপ ছাড়া অন্য সকল গ্রুপের রক্তের লোহিত রক্তকণিকাকে জমিয়ে ফেলে। তাই রক্ত গ্রহনকালে ‘ও’ রক্তের গ্রুপের গ্রহীতা কেবল নিজ গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে, দাতা হিসেবে এরা প্রত্যেক গ্রুপকে (এ, বি, এবি এবং ও) রক্ত দিতে পারে। এই কারনে 'ও' গ্রুপের রক্তদাতাকে বলা হয় সার্বজনীন দাতা।
Saturday, April 6, 2019
সহজে বয়স বের করার নিয়ম। How to calculate Age
অনেক সময় বিভিন্ন চাকরির আবেদন করতে গিয়ে বয়স বের করার প্রয়োজন হয় যা অনেকেই জানেন না। কিভাবে সহজ উপায়ে নির্দিষ্ট বয়স বের করা যায়?
১৬ ডিসেস্বর ১৯৭১ আপনার জন্ম তারিখ এবং ৭ মে ২০১৫ পর্যন্ত বয়স বের করতে হবে। অর্থ্যাৎ ৭ মে ২০১৫ থেকে ১৬ ডিসেস্বর ১৯৭১ বিয়োগ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে, উপরিউক্তো দিন, মাস ও বছরগুলোকে সাজাতে হবে নিম্নরূপে, বছর-মাস--দিন ২০১৫-০৫-০৭ এবং ১৯৭১-১২-১৬ ------------------- ৪৩-০৪-২১ (+)-০১ ----------------- ৪৩-০৪-২২ অর্থ্যাৎ ৪৩ বছর ৪ মাস ২২ দিন। ব্যাখ্যাঃ অংকটি সাজানোর পরে, আমি ৭ দিন থেকে ১৬ দিন বিয়োগ করবো কিন্তু ৭ থেকে ১৬ বিয়োগ যায় না। সূতরাং সেই ছোট্ট বেলার নিয়মে পাশের সংখ্যাটি থেকে ১ ধার নিবো (ধার সব সময় বামের সংখ্যাটি থেকে নিতে হবে)। মজার ব্যাপার হলো যেখান থেকে ১ ধার নিচ্ছি সেটা কিন্তু মাসের ঘর আর আমরা বিয়োগ করছি দিনের ঘরের সংখ্যাগুলোকে। তাহলে, মাসের ঘর থেকে ১ ধার নিয়ে দিনের ঘরে আনলে তা ৩০ দিন ধরে নিতে হবে কেননা ১ মাসে ৩০ দিন যা আমরা জানি। এখন তাহলে, দিনের ঘরের উপরে আছে ৭ আর এর সাথে ধার নেয়া ১ মাসের ঘর থেকে মানে ৩০দিন যোগ করে দিলাম। তাহলে দিনের ঘরে উপরে দাঁড়ালো ৩৭; যা থেকে ১৬ বিয়োগ করে ফলাফলের ঘরে সর্ব ডানে পেলাম ২১ বা ২১ দিন। এখন, ধার করা ১ মাস বা ৩০ দিন ফেরৎ দিবো- যার কাছে নিয়ে ছিলাম তাকে। কিন্তু একটা বিষয় ৩০ দিনকে মাসে কন্ভার্ট করে ফেবৎ দিবো কেননা যাকে ফেরৎ দিচ্ছি সে অলরেডী মাসের ঘরে আছে বা মাস হিসেবে আছে।মতাহলে, আমাদের অংকে মাসের ঘরে নীচের সারিতে আছে ১২; (এর সাথে ফেরতকৃত ১ নিয়ে হলো ১৩ বা ১৩ মাস। এখন আবার মাসের ঘরের সংখ্যাগুলো বিয়োগ করবো কিন্তু উপরে আছে ৫ মাস আর নীচে হলো ১৩ মাস (ঐ ধারের ১ মাস দিয়ে)। এখানেও বিয়োগ হচ্ছে না কেননা উপরের সংখ্যাটি ছোট্ট আর নিচের সংখ্যাটি বড়। তাহলে আবার ধার নিতে হবে। এবার বছরের কাছ থেকে ১ বছর (কন্ভার্ট করে ১২ মাস কেননা আমরা মাসের ঘরের বিয়োগ করছি) ধার নিয়ে যোগ করলাম ৫ মাসের সাথে। তাহলে মনে মনে ৫ মাসের স্থলে হলো ১৭ মাস। এখান থেকে বিয়োগ দিবো আগের ঐ ১৩ মাস; হবে ৪ মাস। এটা মাসের ঘরের ফলাফলে বসাতে হবে। এখন আবার ধার শোধ করবো। অংকটিতে নীচের সারিতে বছরের ঘরে আছে ১৯৭১; এর সাথে ধার ফেরতকৃত ১২ মাস কন্ভার্ট করে ১ বছর যোগ দিলে হয় ১৯৭২; যা ২০১৫ থেকে বিয়োগ করলে হয় ৪৩ বা ৪৩ বছর। তাহলে, সর্বশেষ ফলাফল দাঁড়ালো, ৪৩ বছর ৪ মাস ২১ দিন। কিন্তু যেহেতু বয়স বের করতে হবে তাই প্রাপ্ত ফলাফলের দিনের সাথে ১ যোগ করতে হবে। এই ১ হলো বয়স বের করার সূত্রের ১।।
Subscribe to:
Comments (Atom)